নবুয়ত নিয়ে কাফিরদের সবচেয়ে বড় ফ্যালাসি ছিলো ‘নবী হলে খায় কেন? বাজারে যায় কেন?’। অথবা তাদের দাবী ছিলো নবী হিসেবে তাদের কাছে ফেরেশতা এলে তারা মেনে নেবে। কিন্তু তাদের এসব দাবির মধ্যে সত্য খোঁজার পরমেচ্ছা ছিলো না। ছিলো সত্য থেকে দূরে থাকার বাহানা মাত্র। একইভাবে তারা উঠাবসাও করতো মুনাফিকদের সাথে যারা তাদেরকে নানা দুরভিসন্ধিমূলক ইন্ধনও দিতো। আল্লাহ তায়ালা কালামে হাকীমে তাদের ভেতরকার কলুষতা একে একে তুলে ধরেছেন। সূরা ফুরকানের শুরতে আল্লাহ তায়ালা হক বাতিলের পার্থক্য করে দিয়েছেন। যারা মুমিন তারা এসব অভিযোগ ও অর্থহীন কথায় পাত্তা না দিয়ে পাশ কেটে যেত। ফলে আল্লাহ তায়ালা তাদের সম্মান করেছেন। আর মুনাফিকদের ব্যাপারে বলেছেন কিয়ামতের দিন তারা নিজের হাত নিজেই কামড়াবে।
পবিত্র কালামের এই অংশগুলোর মধ্যে আল্লাহ তায়ালা মানবজাতির প্রত্যেকটা ঘটনার জন্য ইঙ্গিত দিয়েছেন। এগুলো তাদাব্বুর ছাড়া বোঝা মুশকিল। আল্লাহ তায়ালার অসীম দয়া ও করুণাবলে আমরা আমাদের সূরাভিত্তিক তাফসীর কোর্সে তাফসীর ও তাদাব্বুরকে সমন্বয় করি। আমাদের তাফসীর কোর্সের মূল বৈশিষ্ট্য এটাই।
আলহামদুলিল্লাহ। সূরা নুরের দীর্ঘদিন পর আবারো শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের এই ধারাবাহিক কোর্স। সিজন ০৫ এর সর্বশেষ সূরা ও ধারাবাহিক সূরাভিত্তিক তাফসীর কোর্স ২৪ – সূরা ফুরকান।
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত