কুরআনে হাকীমের একটা সূরার নাম সূরা নাহল। নাহল মানে মৌমাছি। ক্ষুদ্র এই পতঙ্গের কাজ কিন্তু ক্ষুদ্র নয়। বরং সে একটা নেটওয়ার্কের অধীনে থেকে মানবজাতিকে মধুর মত উপকারী দ্রব্য দিয়ে যাচ্ছে। এই মৌমাছির উপর আল্লাহ ওহী নাযিল করেন। মৌমাছির উদাহরণ দিয়ে আসলে আল্লাহ তায়ালা কী বোঝাতে চেয়েছেন?
একটাই উত্তর: আল্লাহ তায়ালা সবকিছু করনেওয়ালা সত্তা। তিনি সবকিছুর রব। তাওহিদের হকদার। শিরকের উপর নাখোশ।
কতবার এমন হয়েছে যে, জীবনে সব কিছু থেমে গেছে বলে মনে হয়েছে?
কিন্তু সবর-ই তখন শক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে!
আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ادْعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِالْحِكْمَةِ وَالْمَوْعِظَةِ الْحَسَنَةِ وَجَادِلْهُم بِالَّتِي هِيَ أَحْسَنُ إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ وَإِنْ عَاقَبْتُمْ فَعَاقِبُوا بِمِثْلِ مَا عُوقِبْتُمْ بِهِ وَلَئِنْ صَبَرْتُمْ لَهُوَ خَيْرٌ لِلصَّابِرِينَ (১২৬) وَاصْبِرْ وَمَا صَبْرُكَ إِلَّا بِاللَّهِ﴾
‘‘হে নবী! প্রজ্ঞা এবং উত্তম উপদেশের মাধ্যমে তোমার রবের পথে মানুষকে দাওয়াত দাও এবং লোকদের সাথে বিতর্ক করো সর্বোত্তম পদ্ধতিতে। তোমার রবই অধিক জানেন কে তার পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং কারা সঠিক পথে রয়েছে, এ বিষয়ে তিনিই সর্বাধিক অবগত রয়েছেন। তোমরা যদি প্রতিশোধ গ্রহণ করো, তাহলে ঠিক ততটুকু গ্রহণ করবে যতটুকু অন্যায় তোমাদের প্রতি করা হয়েছে। আর তোমরা যদি ধৈর্যধারণ করো, তাহলে অবশ্যই ধৈর্যশীলদের জন্য সেটিই উত্তম। তুমি ধৈর্যধারণ করো। তোমার ধৈর্যধারণ তো হবে আল্লাহর সাহায্যেই’’।
(সূরা আন নাহাল: ১২৫-১২৭)
সূরা আন-নাহলের নৈতিক শিক্ষা ও আল্লাহর নিদর্শন সহজভাবে বুঝতে AOI এর তাফসীর কোর্সে এনরোল করুন।
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত