আল্লামা ইবনুল কাইয়িম (রহঃ) বলেন,
“নিয়ত ও ইচ্ছার মধ্যে শিরক; এটা তো কুলকিনারাহীন দরিয়া। খুব কম মানুষই এই শিরক থেকে মুক্ত। যে ব্যাক্তি তার কোনো আমল দ্বারা আল্লাহ ভিন্ন অন্য কারও সন্তুষ্টি কামনা করল, অন্যের নৈকট্য প্রার্থনা করল, প্রতিদানের আশা রাখল—তাহলে সে তার নিয়ত ও সংকল্পে শিরক করল।”
ভাবা যায়? এত পরিশ্রম, এত ইবাদত—তবুও আমল বাতিল হয়ে গেল কারণ নিয়তে ছিল শিরক!
এই শিরকই নাওয়াকিদে ইসলাম—ইসলামকে ধ্বংস করে দেওয়া এমন ভুল যা হয়তো আমরা নিজেরাও টের পাই না!
আল্লাহ তায়লা ইরশাদ করেন:
“আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে তার সাথে শরিক না করে।যে কেউ আল্লাহর সাথে শরিক করে সে যেন আকাশ থেকে পড়ে গেল,আর পাখি তাকে ছোঁ মেরে নিয়ে গেল কিংবা বাতাস তাকে উড়িয়ে নিয়ে দূরবর্তি স্থানে ছুড়ে ফেলে দিল”।
(সূরা হজ্জ:,২২:৩১)
ঈমান ভঙ্গের প্রথম কারণ হলো আল্লাহর সাথে শিরক।ইমাম ইবনুল কাইয়িম (রহ:) বলেন,” শিরক প্রধানত ২ প্রকার:বড় শিরক ও ছোট শিরক।
ইসলাম নিজের অনুসারীদের জন্য একটি আসমানী আইন-বিধান পেশ করেছে। যে ব্যক্তি এই বিধানকে মনে-প্রাণে প্রশান্ত হৃদয়ে মেনে নিবে, নিজের অন্তরে কোনো দ্বিধা-সংকোচ রাখবেনা- তাকে মুসলমান/মুমিন বলা হবে। আর যে ইসলামী সংবিধানের কোনো একটি অংশকে-ও অস্বীকার করবে, সে সন্দেহাতীতভাবেই ইসলামের সীমানা হতে বহিস্কৃত হবে। তার মত ব্যক্তি দিয়ে ইসলামী ভ্রাতৃত্বের সংখ্যাবৃদ্ধির ইসলামে প্রয়োজন নেই।
তাই তো “ইসলামের মৌলিক বিষয়ে গভীরতর উপলব্ধির জন্য AOI-এর আকীদা কোর্স-১ এ অংশ নিন।”
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত