বিজ্ঞান কেবল পর্যবেক্ষণ আর পরীক্ষার গল্প নয়। এর পেছনে আছে এক গভীর দর্শন, এক গোপন মেধা, যাকে না জানলে বিজ্ঞানকে পুরোপুরি বোঝা যায় না। আজকের যুগে বিজ্ঞানই যেন চূড়ান্ত সত্যের প্রতীক, অথচ এই বিজ্ঞানের ভিত্তি নিয়েই প্রাচীন গ্রীক থেকে শুরু করে আধুনিক পাশ্চাত্য চিন্তকরা অবিরত বিতর্ক করে গেছেন।
“Science” কীভাবে সত্য দাবি করে? এর পদ্ধতি কীভাবে তৈরি হলো? সত্য-মিথ্যার ব্যবধান কোথায়? আর এই সত্যগুলো কতটা নির্ভরযোগ্য?
Ammar’ Online Institution AOI এর মতবাদ সিরিজের বিজ্ঞানবাদ কোর্সের সিজন ১-এ আমরা প্রাচীন দর্শন থেকে শুরু করে ইসলামি চিন্তাধারা এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সূচনাকালের দার্শনিক ভিত্তি আলোচনা করেছিলাম। এবার আমরা প্রবেশ করছি আরও গভীর এক অধ্যায়ে — যেখানে আছে পশ্চিমা জ্ঞানচিন্তার দ্বন্দ্ব, বাস্তবতা বনাম অনুমান, বিজ্ঞান বনাম দার্শনিক সন্দেহ।
এই কোর্সে আপনি জানবেন—
🔹 কিভাবে কার্ল পপার বিজ্ঞানের নাম করে কুসংস্কারকে বাদ দেয়ার কথা বলেছিলেন। আর এইটা আদৌ কার্যকরী মেথড কিনা।
🔹 কেন থমাস কুন বলেছিলেন, বিজ্ঞান এগোয় বিপ্লবের মাধ্যমে, ধাপে ধাপে নয়।
🔹 ভ্যান ফ্রাসেন কেন বলেছিলেন, ‘সত্য নয়, কাজ করলেই বিজ্ঞান ঠিক আছে।’
🔹 আবার ফেয়ারআবেন্ড এমনও বললেন, ‘কোনো নিয়মই চূড়ান্ত নয়; বিজ্ঞানেও নৈরাজ্য দরকার।’
এই কোর্স শুধু পড়াশোনার জন্য নয়, বরং নতুনভাবে চিন্তা শেখার জন্য। নিজের মানসিক কাঠামো ভেঙে আবার গড়ে তোলার জন্য।
তাই যারা সত্যের সন্ধানী, যারা “জ্ঞান” বলতে শুধু তথ্য নয়, বরং বিশ্লেষণ, প্রশ্ন এবং গভীরতা বোঝেন — তাদের জন্যই এই কোর্স।
Philosophy of Science Season 2.0 —
জ্ঞান, যুক্তি ও বাস্তবতার গভীর দরজাগুলো খুলে দেয়ার একটি অধ্যয়ন।
তো আর দেরী কেন? আসুন জ্ঞানের জগতে।
ইফতেখার হোসেন সীমান্ত
EEE, Brac University
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত