হজ্ব : ফরযে আইন – ১ম পর্যায়

কোর্সের বিস্তারিত :

হজ্ব : ফরযে আইন – ১ম পর্যায়

হজ্ব একটি দৈহিকআর্থিক ও আত্মিক ইবাদত। এতে যেমন আছে দীর্ঘ সফর ও বিশেষ স্থানে বিশেষ আমলের অপিরিহার্যতা তেমনি আছে গভীর রূহানিয়ত ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্যের বিষয়। আল্লাহর ঘরে হাজিরি মুমিন জীবনের পরম সৌভাগ্য। ঐ পুণ্যভূমিতে পৌঁছে বান্দা তার রবের উদ্দেশ্যে নিজের আবদিয়ত ও দাসত্বের এবং ইশ্ক ও মহববতের প্রমাণ দিবে। আল্লাহর শিআর ও নিদর্শনাবলীর প্রতি ভক্তি ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করবে। নিজের জাহের ও বাতেনকে ইবরাহীম খলীলুল্লাহর রঙে রঙিন করার অনুপ্রেরণা অর্জন করবে এবং ঐ পবিত্রভূমির নূর ও নূরানিয়াত দ্বারা নিজেকে আলোকিত করবে-এটাই তো হজ্বের দর্শন ও তত্ত্বকথা।

বায়তুল্লাহ অভিমুখে হজ্বের সফর তো ইবাদতের সফর। আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য লাভের সফর। তাই আল্লাহর যে বান্দা হজ্বের নিয়ত করে তার অবশ্যকর্তব্য এই ইবাদতের জন্য প্রস্ত্ততি গ্রহণ করা। এক্ষেত্রে জাগতিক প্রস্ত্ততির চেয়ে বেশি প্রয়োজন রূহানী প্রস্ত্ততি। কারণ যে ইবাদত ইখলাস ও তাকওয়ার সাথে এবং সুন্নাহ-সম্মত পন্থায় আদায় করা হয় তা কবুলিয়তের অতি নিকটবর্তী হয়ে যায়। তাই শুধু হজ্ব নয়, নামায-রোযা, যাকাত-সদকাসহ সকল ইবাদতকে জাহের-বাতেন উভয় দিক থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নামায, রোযা, হজ্ব ও যাকাতের অনুরূপ করার চেষ্টায় নিয়োজিত হওয়া সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। একারণেই আমাদের হজ্ব বিশুদ্ধ করতে জানতে হবে জরুরি মাসায়িল।

যিলহজ্বের দশ দিনে আল্লাহ তায়ালা সায়্যিদুনা মুসা আলাইহিস সালামের সাথে কথা বলেছিলেন। ইসলাম দ্বীন হিসেবে পূর্ণতা লাভ করেছি্লো। আর আল্লাহ এই দশকের শপথ করেছেন। এ সময়ে ইবাদত অন্য সময়ের তুলনায় বেশি ফজিলতপূর্ণ। বিশেষ করে তাকবীর বলা। রোজা রাখা আর আরাফা দিন হলো বছরের সর্বোত্তম দিন।

যিলহজ্বের প্রথম দশ দিন হলো বছরের সেরা দিন। আর রমাদ্বানের শেষ দশ রাত হলো বছরের সেরা রাত। তাই যে ব্যক্তি দিনের বেলায় যিলহজ্বের দশ দিনে ইবাদত করতে পারে এবং রমাদ্বানের শেষ দশ রাতে ইবাদত করতে পারে সে-ই সত্যিকারভাবে সৌভাগ্যবান।

এমন কোনো দিনের উপর সূর্য উদিত হয় না যা যিলহজ্বের প্রথম দশ দিনের চেয়ে উত্তম। এ সময়ে আমল যা করবেন তা মুবারক ও মহিমান্বিত হয়। এর মধ্যে সবচেয়ে উত্তম হলো নামাজ। তারপর তাকবীর ও সদকা। এরপর রোজা এবং হজ্ব। আর যেহেতু এ সময় মর্যাদাপূর্ণ তাই এই সময়ে করা গুনাহগুলোও গুরুতর হয়ে যায়।

যিলহজ্বের দশ দিনে রমজানের কাযা রোজা রাখা মুস্তাহাব এবং আশা করা যায় যে রোজাদার ব্যক্তি কাযা এবং যিলহজ্বের দশ দিনের রোজার উভয় সওয়াব পাবে। উমর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন:

ما أيام أحب إلي أن أقضي فيها رمضان من هذه العشر

এই দশ দিনের চেয়ে বেশি প্রিয় কোনো সময় নেই যখন আমি রমজানের কাযা রোজা রাখতে চাই।

হজ্ব নিয়ে সমস্তধরনের মাসালা-মাসায়িল জানতে এনরোল করুন AOI এর ফরজে আইন ১ম পর্যায়ের হজ্ব কোর্সে।

কোর্সটি থেকে কী শিখবেন?

  • হজ্বের মাসআলা মাসায়িলসমূওয়ের
  • হজ্বের হাকিকত, উদ্দেশ্য, ইতিহাস ও ফজিলত
  • হজ্বের সংজ্ঞা, ফরজিয়ত ও শর্ত
  • হজ্বের যেন সহীহ হয়—তার শর্তাবলি ও নিয়মাবলি
  • হজ্বের আরকান ও ওয়াজিবাত
  • হজ্বের সুন্নাহ ও মুস্তাহাব বিষয়সমূহ
  • মুহরিমের নিষিদ্ধ, মাকরূহ ও জায়েয কাজগুলো
  • হজ্বের বর্ণনা (পর্ব–১)
  • হজ্বের বর্ণনা (পর্ব–২)
  • হজ্বের প্রকারভেদ ও হজ্বের কিসম
  • হজ্বের তামাতু’
  • সাদির বর্ণনা
  • জিনায়াতুল হজ্ব (পর্ব–১)
  • জিনায়া্তুল হজ্ব (পর্ব–২)

কোর্স কন্টেন্ট

হজ্ব : ফরযে আইন – ১ম পর্যায়

  • দারস নংঃ ০১ – হজ্বের হাকিকত, ইতিহাস, উদ্দেশ্য ও ফজিলত
    33:19
  • দারস নংঃ ০২ – হজ্বের সংজ্ঞা, ফরজিয়্যত ও শর্ত
    23:30
  • দারস নংঃ ০৩ – হজ্ব সহিহ হওয়ার শর্তাবলী ও মীকাত
    26:38
  • দারস নংঃ ০৪ – হজ্বের আরকান ও ওয়াজিবাত
    26:31
  • দারস নংঃ ০৫ – হজ্বের সুন্নাহ ও মুহরিম হওয়ার পদ্ধতি
    16:51
  • দারস নংঃ ০৬ – মুহরিমের নিষিদ্ধ, মাকরুহ ও জায়েজ কার্যাবলী
    13:42
  • দারস নংঃ ০৭ – হজ্বের বর্ণনা ০১
    39:38
  • দারস নংঃ ০৮ – হজ্বের বর্ণনা ০২
    19:02
  • দারস নংঃ ০৯ – হজ্বের প্রকারভেদ ও হজ্বে কিরান
    24:41
  • দারস নংঃ ১০ – হজ্বে তামাত্তু
    21:19
  • দারস নংঃ ১১ – মুযাকারা
    26:02
  • দারস নংঃ ১২ – হাদীর বর্ণনা
    22:46
  • দারস নংঃ ১৩ – জিনায়াতুল হজ্ব ০১
    14:23
  • দারস নংঃ ১৪ – হজ্ব : জিনায়াতুল হজ্ব ০২
    27:36

রিসোর্স – হজ্ব : ফরযে আইন – ১ম পর্যায়

ভর্তির জন্য মেসেজ করুন আমাদের ফেসবুক পেইজে। পেইজে যাওয়ার জন্য নিচের বাটনে ক্লিক করুন
600.00

এই কোর্সে যা যা থাকছে

  • ১৪ টি লেকচার ভিডিও
  • নোট, স্লাইড ও রিভিশন পয়েন্ট
  • যেকোনো সময়, যেকোনো ডিভাইস থেকে দেখার সুবিধা