যাকাত গরিবদের ওপর কোনো দয়া নয়। বরং এটি তাদের হক। যাকাত ফরজ ইবাদত, যা প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের জন্য আল্লাহ্র পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি দায়িত্ব। এই দায়িত্বে অবহেলা করলে ভয়াবহ শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
ইসলামে দান-সদকা কে উৎসাহিত করা হয়েছে।তবে, যাকাত সাধারণ দান নয় ;এটি সম্পদের নির্দিষ্ট ফরজ।যাকাত ব্যাক্তিগত সম্পদ কমিয়ে ফেলে না বরং; সম্পদকে পবিত্র করে ও সওয়াব বৃদ্ধি করে।
আল-কুরআনে কঠোর সতর্কবার্তা :
“যারা সোনা-রুপা জমা করে রাখে এবং তা আল্লাহর পথে ব্যয় করে না, তাদের যন্ত্রনাদায়ক শাস্তির সংবাদ দিন।”
(সূরা আত-তাওবা :৩৪)
আবূ বকর (রাঃ) বললেনঃ আল্লাহর শপথ! তাদের বিরুদ্ধে নিশ্চয়ই আমি যু*দ্ধ* করবো যারা সালাত ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য করবে, কেননা যাকাত হল সম্পদের উপর আরোপিত হাক্ব। আল্লাহর কসম। যদি তারা একটি মেষ শাবক যাকাত দিতেও অস্বীকৃতি জানায় যা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে তারা দিত, তাহলে যাকাত না দেয়ার কারণে তাদের বিরুদ্ধে আমি অবশ্যই যু*দ্ধ* করবো। ‘উমার (রাঃ) বলেনঃ আল্লাহর কসম, আল্লাহ আবূ বকর (রাঃ)-এর হৃদয় বিশেষ জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত করেছেন বিধায় তাঁর এ দৃঢ়তা, এতে আমি বুঝতে পারলাম তাঁর সিদ্ধান্তই যথার্থ।
-সহীহ বুখারী
যাকাত শুধু সম্পদ শুদ্ধ করার মাধ্যম নয়, বরং এটি সমাজের দরিদ্রদের হক আদায়ের এক পবিত্র দায়িত্ব।
যাকাত কাদের কে দিতে হবে, কিভাবে যাকাতের হিসাব করবেন,কার জন্য যাকাত ফরজ এগুলো কি জানা আছে?
জানা না থাকলে যাকাতের বিধিবিধান সম্পর্কে জানতে এনরোল করুন AOI এর ফরজে আইন( ইবাদত পর্যায়) যাকাত কোর্স।
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত