নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দাওয়াত শুরু করার পর দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়ে গেছে। বিরোধী পক্ষ তাঁকে লাঞ্ছিত করার এবং তাঁর মিশনকে ব্যর্থ করে দেবার জন্য বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করতে থাকে। এসময় মুসলমানগণ বারবার এ আকাংখা পোষণ করতে থাকে, হায়! যদি কোনো প্রকার অলৌকিক কান্ড-কারখানার মাধ্যমে এ লোকগুলোকে সত্য সরল পথে আনা যেত! ঠিক সেসময় আল্লাহ তায়ালা সূরা রাদ নাযিল করে মুসলমানদেরকে বোঝালেন, দেখো! ঈমানের পথ দেখাবার এই পদ্ধতি আমার শরীয়াহতে প নেই আর যদি ইসলামের শত্রুদের রশি ঢিলে করে দেয়া হয়ে থাকে তাহলে এটা এমন কোনো ব্যাপার নয় যার ফলে তোমরা ভয় পেয়ে যাবে। সূরা রাদের আলোচ্য বিষয় আল্লাহর সুন্নাহ নিয়েই।
ইসলামের পবিত্র কুরআনের প্রতিটি সূরা গভীর অর্থবোধক এবং মানবজীবনের নানা দিক নির্দেশনা নিয়ে ভরপুর। এর মধ্যে সূরা রা’দ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূরা, যা আল্লাহর একত্ববাদ, তাঁর ক্ষমতা, নবীগণের মিশন এবং পার্থিব ও পরকালের বাস্তবতা সম্পর্কে গভীর বার্তা প্রদান করে। সূরা রা’দ তাফসীর কোর্সটি এই সূরাটির আয়াতসমূহের বোধগম্য ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করে, যাতে শিক্ষার্থীরা সূরার প্রকৃত অর্থ বুঝতে পারেন এবং তা নিজেদের জীবনে প্রয়োগ করতে সক্ষম হন।
শুধু তাফসীর নয়, এই কোর্স শিক্ষার্থীদের অন্তর্দৃষ্টি দেয় কিভাবে সূরা রা’দের শিক্ষা অনুসরণ করে আত্মিক ও নৈতিক উন্নতি সাধন করা যায়। ইসলামের মৌলিক ধারণাগুলো বুঝে নিজেদের জীবনকে আলোকিত করতে এই কোর্স হবে একটি অনন্য পথপ্রদর্শক।
ইসলাম কেবল কতগুলো ধর্মীয় বিধি-বিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ইসলামের সীমানা ব্যক্তিগত, পারিবারিক, সামাজিক জীবন ছাড়িয়ে রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জীবনেও বিস্তৃত।
স্বত্ব © ২০২২ আম্মার’স অনলাইন ইন্সটিটিউশন কতৃক সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত